
রাষ্ট্রীয় শোকের দিনে মিরপুরে মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টি–টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ। উত্তরার মর্মান্তিক বিমান দুর্ঘটনায় দেশজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এমন আবহেই আজ সন্ধ্যা ৬টায় সিরিজ নিশ্চিত করার মিশনে মাঠে নামবে টাইগাররা।
প্রথম ম্যাচে সাত উইকেটের দাপুটে জয়ে সিরিজে ১–০ তে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। আজ জিতলেই এক ম্যাচ হাতে রেখে নিশ্চিত হবে সিরিজ জয়। অন্যদিকে পাকিস্তানের সামনে সিরিজে টিকে থাকতে জয়ের বিকল্প নেই।
মিরপুরের ধীর গতির উইকেটে প্রথম ম্যাচে স্পিনারদের দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। পাকিস্তানের কোচ মাইক হেসন যদিও উইকেট নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তবে দ্বিতীয় ম্যাচেও উইকেটের স্বভাব-চরিত্রে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলেই জানা গেছে।
ফলে বাংলাদেশ আজও প্রথম ম্যাচের বিজয়ী একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে বলে প্রবল ধারণা।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, জাকের আলী অনিক, শেখ মেহেদী হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।
পাকিস্তানের সম্ভাব্য একাদশ
সাইম আইয়ুব, সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আলী আগা (অধিনায়ক), খুশদিল শাহ, হুসাইন তালাত, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা ও আবরার আহমেদ।
শোকের আবহে বিশেষ আয়োজন
আজকের ম্যাচ ঘিরে বিসিবি নিয়েছে বেশকিছু বিশেষ পদক্ষেপ। ম্যাচের আগে এক মিনিট নীরবতা পালন, কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলা, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও স্টেডিয়ামের ভেতরে গান-বাজনা বন্ধ রাখা—সবই দেশের শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে।
শোকের মধ্যেও মাঠে গড়াতে চলেছে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। তবে টাইগারদের কাছে আজকের ম্যাচ শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচ নয়, বরং এক জাতিগত সম্মান বহনের প্রতীকও।

তবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘বিএনপি আজকে আমাদের বলে আওয়ামী লীগের দালাল। আমরা নাকি আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করেছি। রাজনীতি করবেন, জেনেশুনে রাজনীতি করেন।’ তিনি বলেন, তাঁরা আজ পর্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ কোনো জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেননি। ’১৪ সালের নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন অংশগ্রহণ করেনি। ’১৮ সালের নির্বাচনে সবাই অংশগ্রহণ করেছে। এ কারণে তাঁরাও অংশ নিয়েছেন। কিন্তু তখনো গণভবনে যাননি। তখন কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পর্যন্ত গণভবনে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনার কাছে। কিন্তু তাঁরা যাননি। শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকও করেননি।
সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছে সবাই। কিন্তু বিএনপি অবৈধ সংসদে গিয়ে ২০২২ সাল পর্যন্ত ছিল। সেই সংসদকে তারা বৈধ ঘোষণা দিয়েছে। অবৈধ সংসদে বিএনপির পাঁচ-ছয়জন সদস্য গিয়ে পুরা নির্বাচনটাকে বৈধ ঘোষণা করছে। তারা আওয়ামী লীগের দালাল না। আর আমরা আওয়ামী লীগের দালাল!
সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম আরও বলেন, ‘বিগত দিনে বিএনপি ভোট পেয়েছে। আগামীতেও ভোট পাবে, সেই চিন্তায় আছে তারা। কেন মানুষ ভোট দিবে তাদের। পাটগ্রাম থানায় পুলিশদের মারার জন্য। থানা লুট করার জন্য, থানা ভাঙচুর করার জন্য আপনাদেরকে ভোট দিবে? এই পর্যন্ত ১৫০-এর উপরে খুন হয়ে গেছে। বিএনপির নিজেরা নিজেরা মারামারি করতে করতে বহুত লোক পঙ্গু হয়ে গেছে। এখনো ক্ষমতায় যায় নাই। তাতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে অবস্থাটা কী হবে। এ দেশের মানুষ এখন সেই মানুষ আর নাই। মানুষ সচেতন হয়েছে। মানুষের চক্ষু খুলছে। এমন কোনো জায়গা নাই, যেখানে চাঁদা তোলে না বিএনপি।’







